একীভূত সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকার হৃদয়ে ধারণ করি

-তানজির ইসলাম বৃত্ত

আজ ৩ ডিসেম্বর, ২০১২ আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস। অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশ আজ এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “একীভূত সমাজ বিনির্মাণে সংগবদ্ধ অঙ্গীকার”। প্রতি বছরের মত এ বছরেও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরাম এবং বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়েছে। আয়োজন করেছে আলোচনা সভা, র‌্যালী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি।

১৯৯২ সাল থেকে  জাতিসংঘের আহ্বানে এ দিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। নাগরিক অধিকার, বৈষম্যহীন সমাজ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রতি সম্মান, সমান সুযোগ, অংশগ্রহণের অধিকার এবং স্বাধীনতার প্রতি সম্মানের নীতিই এ দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবন্ধিতা কোন রোগ কিংবা অসুখ নয়। বয়স, লিঙ্গ, জাতি, সংস্কৃতি বা সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী একজন মানুষ যা করতে পারে তা দৈহিক, মানসিক কিংবা ইন্দ্রিয়গত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রাত্যহিক জীবনে করতে না পারার অবস্থাটাই হলো প্রতিবন্ধিতা। দৈহিক, মানসিক কিংবা ইন্দ্রিয়গত কার্যক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আংশিক, সম্পূর্ন কিংবা সাময়িক, চিরস্থায়ী হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্বব্যাংক এর ২০১১ সালের জরীপে দেখা যায় পৃথিবীতে ১০০ কোটি ভিন্নভাবে সক্ষম মানুষ আছেন। যা পৃথিবীর মূল জনসংখ্যার ১৫ ভাগ। সেই হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লাখ।

মোট জনসংখ্যার ১৫ শতাংশ প্রতিবন্ধী মানুষের উন্নয়নের জন্য এ দেশে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ বা অবকাঠামো তৈরি হয়নি এখনো। এ দেশের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অসহায় নন, তাদের অসহায়ত্বের উপকরন হচ্ছে সামাজিক বাধা বা বৈষম্য। স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সকল অধিকার ভোগ করার কথা থাকলেও, তা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে তাদের। পরিবার তাদের দূরে সরিয়ে রাখেন তথাকথিত সামাজিক মর্যাদা হারানোর ভয়ে। তারা বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছেন শিক্ষা, চাকরি, যাতায়াত, প্রবেশগম্যতা, স্বাস্থ্যসেবা, বিয়ে, প্রজনন সকল ক্ষেত্রে। সমাজিক ও পারিবারিক জীবনের সব ক্ষেত্রে বৈষম্যের কারণে তারা সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য আলাদা কোটার ব্যবস্থা থাকলেও দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের জন্যে উন্মুক্ত নয়। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন একীভ’ত শিক্ষা পদ্ধতিতে পাঠদান। প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করতে দরকার সিড়ির পাশে র‌্যাম্প, সহায়ক টয়লেট, স্থান চিহ্নিত করতে ব্রেইল ব্লক, ইশারা ভাষার প্রয়োগ ইত্যাদি। এছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্রেইল ও ইশারা ভাষার প্রচলন  প্রয়োজন । কিন্তু বেশীরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এ সকল ব্যবস্থা নেই, ব্যাহত হচ্ছে তাদের প্রবেশগম্যতার সুযোগ। নিশ্চিত হচ্ছে না একীভূত শিক্ষা ব্যবস্থা। তাই কোটা ব্যবস্থাটা প্রযোজ্য হচ্ছে না সকল শ্রেনীর প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য। প্রতিবন্ধী শিশু বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বিড়ম্বনার সম্মুখিন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অথচ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদসহ শিশু অধিকার সনদ (১৯৮৯), বাংলাদেশ বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন (১৯৯০), প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদ (২০০৬) এবং সংশি¬ষ্ট অন্যান্য আইন ও নীতিমালাসমূহে সর্বজনীন শিক্ষার অধিকারের কথা বলা থাকলেও প্রতিবন্ধী শিশুরা শিক্ষার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা অভিভাবকেরা বাধ সাধেন তাদের অসচেতনা কিংবা অজ্ঞতার কারণে। এছাড়াও বিদ্যালয় পরিবেশ প্রতিবন্ধীবান্ধব না হওয়ায় প্রতিবন্ধী শিশুটির অভিভাবক একপর্যায়ে হাল ছেড়ে দেন। এছাড়া সরকারি কিছু সিদ্ধান্তেও পরিলক্ষিত হয়। যেমন একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি শ্র“তিলেখকের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে থাকেন। তিনি অতিরিক্ত সময় পেলেও একজন মাঝারি কিংবা মৃদু মাত্রার শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যারা নিজেরাই লিখতে পারেন তারা অতিরিক্ত সময় পান না যদিও তাদের জন্যে এই সময়টা অত্যন্ত প্রয়োজন। বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে সকল শ্রেনীর পরীক্ষা শুরু হওয়ায় একজন শ্রুতিলেখক খুঁজে পাওয়া দূরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। যাতায়াত ব্যবস্থাতেও দূর্ভোগ পোহাতে হয় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের। পাবলিক বাসে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সংরক্ষিত আসন থাকলেও তা কিছু অবিবেচক যাত্রীরা দখল করে রাখেন। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীগণ উঠতে পারেন না সকল যানবাহনে। শুধুমাত্র সর্বজনীন প্রবেশগম্যতা না থাকার কারণে অনেক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যেমন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তেমনি বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রেও সমান বাধার সম্মুখিন হচ্ছেন। অথচ ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮ এ সর্বজনীন প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার বিধান স্পষ্ট করা হয়েছে, যা মানা হচ্ছে না ভবন নির্মাণে। প্রতিবন্ধী বণক্তিদের একটা বড় অংশ দরিদ্র পরিবারের সদস্য। জীবনের একটা পর্যায়ে পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতিবন্ধী সেই মানুষটিকে নামতে হয় জীবনের কঠিন যুদ্ধে। সামাজিক বাধা বিপত্তির ফলে অধিকাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে বেছে নিতে হয় ভিক্ষাবৃত্তি। কিছু কুচক্রী মহল জোরপূর্বক অনেক প্রতিবন্ধী শিশুর হাতে তুলে দেয় ভিক্ষার থালা। এ সকল অনিয়ম রোধে আইন থাকলেও নেই তার বাস্তব প্রয়োগ। সবচেয়ে বেশী সমস্যার স্বীকার হন নারী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণ। তাদের প্রতিবন্ধিতা  সাংসারিক জীবনে প্রবেশের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। অতিরিক্ত যৌতুক দিয়ে প্রতিবন্ধী মেয়ের বিয়ে দেন অভিভাবক। কিন্তু সাংসারিক সুখ অধরাই থেকে যায় তাদের। অনেকে হন নির্যাতিত বিশেষত বুদ্ধি, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী নারীগণ। কর্ম, যাতায়াত কিংবা শিক্ষা সকল ক্ষেত্রেই তারা আরও পিছিয়ে।

 

দেশের নাগরিক হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক ও জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ২০০০ সালে জাতিসংঘের সম্মেলনে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য নির্ধারন করা হয়। এতে ৮ টি লক্ষ্য নির্ধারন করা হয়। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে যদি উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করা না যায় তবে কয়েকটি ক্ষেত্রে সাফল্য লাভে আমরা পিছিয়ে পড়বো । যেমন -১.চরম দারিদ্র ও ক্ষুধাদূরীকরন ২. সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা ৩. নারী পুরুষের ক্ষমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন ৪. শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস ৫. মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নতি ৬. টেকসই পরিবেশ নিশ্চিতকরণ। সহস্রাব্দের উন্নয়নে লক্ষ পূরণে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আমাদের সমাজ-রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তাদের অবশ্যই মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ২৯ নং ধারায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ, সম-অংশগ্রহণ, সম-অধিকার রক্ষায় নির্দিষ্ট আইন রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কে আমানত গ্রহণ, ঋণ প্রদান ও ব্যাংক হিসাব খুলতে সহযোগিতা করাসহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া আছে। জাতীয় বাজেটে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রতিবছর অর্থ বরাদ্দ যে পরিমানে বৃদ্ধি করা হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য।

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দশক ২০০৩-২০১২ বিওয়াকো মিলেনিয়াম ফ্রেমওয়ার্ক ফর একশনের (বিএমএফ) ৭টি অগ্রাধিকারযোগ্য ক্ষেত্রকে গুরুত্ব ও বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সেগুলোও যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে (১) প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্ম সহায়ক সংগঠন, সংশি¬ষ্ট পরিবার ও অভিভাবকদের প্রতিষ্ঠার উন্নয়ন, (২) প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন, (৩) সূচনায় শনাক্তকরণ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষা, (৪) আত্মকর্মসংস্থানসহ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান, (৫) নির্মাণ কাঠামোগত পরিবেশে প্রবেশগম্যতা ও সর্ব সাধারণের জন্য পরিবহন যান, (৬) তথ্য যোগাযোগ এবং সহায়ক প্রযুক্তিসহ যোগাযোগের প্রবেশগম্যতা ও (৭) প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা উন্নয়ন সামাজিক নিরাপত্তা এবং দীর্ঘস্থায়ী জীবিকা কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন।

বাংলাদেশ ২০০১ সালে প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন পাশ করে যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় একটি মাইলফলক। বর্তমানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সহযোগিতায় সিআরপিডির আদলে “বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার আইন ২০১২” এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে যা এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়। ২০১০ শিক্ষানীতিমালায় প্রথমবারের মত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একীভূত শিক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলাপমেন্ট প্রোগ্রাম (পিইডিপি২) তে প্রথমবারের মত শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশগম্যতার বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। সরকারী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স¤পূর্ণ একীভ’ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। জাতীয় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮ এ প্রবেশগম্যতা বিষয়টির অন্তর্ভ’ক্তি আমাদের আশার আলো জাগাচ্ছে। জাতীয় তথ্যকোষে প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক বিষয়বস্তু যুক্ত হয়েছে। আইসিটি পলিসি ২০০৯ এ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ চাহিদার স্বীকৃতি মিলেছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিভিন্ন অধিকার নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও নেহাৎ কম নয়। এতকিছুর পরেও এখনো লক্ষ্য অর্জনে আমাদের পিছিয়ে থাকাটা রীতিমত হতাশাজনক। আইন থেকেও হচ্ছে না আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন। অথচ বহি:বিশ্বে স্টিফেন হকিং কিংবা হেলেন কিলার এর কীর্তি সবাইকে অবাক করে। প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ পেলে উন্নত বিশ্বের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মতো আমাদের দেশের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণও এগিয়ে যাবেন। সকল বাধা অতিক্রম করে প্রতিবছর ৯টি মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার প্রতিবন্ধী এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। তাদের ভেতর অনেকেই আজ দেশের সর্ব্বোচ্চ বিদ্যাপিঠগুলোতে নিজের অবস্থান পাকা করেছেন। বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে তাদের ভূমিকায় তারা প্রশংসার দাবিদার। বাংলাদেশের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা বিশ্ব অলিম্পিকের শ্রেষ্ঠ পদক অর্জন করেছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একীভূত শিক্ষা, মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ব্যবস্থা, যাতায়াতের সুব্যবস্থা, প্রতিটি ভবনে প্রবেশগম্যতার সুযোগ সৃষ্টি করে তাদের অবশ্যই মূল ধারায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সমাজের বোঝা নন। তাদের প্রতি সকল বৈষম্যদূরীকরণে জাতিসংঘ সনদ (সিআরপিডি) বাস্তবায়ন জরুরী। এ ব্যাপারে সমাজ, রাষ্ট্র ও জনগণের সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় সুযোগ পেলে তারাও সমান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের চিহ্ন রাখতে পারেন।