অপরাজেয় এর প্রথম বর্ষপূর্তী উদযাপন

78

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ৬ ডিসেম্বর’২০১৩, বি-স্ক্যান কর্তৃক প্রকাশিত দেশের একমাত্র প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা অপরাজেয় এর ১ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে ঢাকাস্থ তোপখানা রোড এর চট্টগ্রাম সমিতি ভবনের মিলনায়তনে হয়ে গেলো এক জাকজমক বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান।

 

অপরাজেয় সম্পাদক মুহাম্মদ মুহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রূপালী ব্যাংকের পরিচালক জনাব আহসানুল আলম পারভেজ এবং চট্টগ্রাম সমিতি – ঢাকার সভাপতি রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক, বি-স্ক্যান এর সাধারণ সম্পাদক সালমা মাহবুব এবং অপরাজেয় এর পৃষ্ঠপোষক বৃন্দ।

প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক তথ্য এবং খবরাখবর পাওয়ার জন্যে ধীরে ধীরে অপরাজেয় দেশের অন্যতম প্লাটফর্ম হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, অপরাজেয়’র পথচলার শুরু থেকে বিগত এক বছরে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে পত্রিকাটির। নির্দিষ্ট অফিস, সরাসরি কারও সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই শুধুমাত্র ঘরে বসে ফেসবুক, ফোনে, ই-মেইলে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী মানুষের স্বপ্ন, হতাশা, অভিমানগুলো প্রকাশের ভূয়সী  প্রশংসা করেন বক্তারা।

আলোচনা শেষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বি-স্ক্যান এর স্বেচ্ছাসেবী, শুভানুধ্যায়ী এবং আমন্ত্রিত অতিথি-পাঠকবৃন্দ গণ সকলে মিলে কেক কাটেন। এছাড়া অনুষ্ঠানের শুরুতে অপরাজেয় পত্রিকার শুরুর পথ চলার নানান দিক তথ্যচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এর পর অপরাজেয়র অনলাইন ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন হয় (www.oporajeyo.com)। এবং গত এক বছরে অপরাজেয় বর্ষসেরা কার্টুনিস্ট, লেখক ও নিবেদিত প্রাণ স্বেচ্ছাসেবীবৃন্দ এবং পৃষ্ঠপোষকদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

 

উল্লেখ্য, বি-স্ক্যান কর্তৃক প্রকাশিত অপরাজেয় বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা। এ পত্রিকায় যে কেউ ফিচার, গল্প, কবিতা বা প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক যেকোনো লেখা পাঠাতে পারেন। শুধু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি নন, পত্রিকাটি প্রকাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠন। সমাজের কিছু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের দেওয়া বিজ্ঞাপনের ওপর ভর করেই বের হচ্ছে এ পত্রিকা।

ব্যাতিক্রমী এই পত্রিকায় বিভিন্ন জনের পাঠানো হাতে লেখা প্রতিবেদনগুলো যেসব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ঘর থেকে বের হতে পারেন না তাদের কাছে স্ক্যান করে পাঠানো হয়। ঘরে বসেই তারা (প্রতিবন্ধী ব্যক্তি) তা টাইপ করে ইমেল করে দেন পত্রিকার সম্পাদক বা অন্যদের কাছে। রিপোর্টিং, ফিচার লেখা এবং সম্পাদনাসহ, পত্রিকার ডিজাইন ও অন্যান্য কাজ হয় প্রতিবন্ধী এবং অপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির সমন্বয়ে।