বাড়ি7th Issue, June 2014অভিমানী মেয়েটি

অভিমানী মেয়েটি

বৃষ্টি চৌধুরী

 

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার এই দেশে সময়টা মোটেও আনন্দের নয়। চারদিকের হরেক সমস্যা, হাজারো দুঃখের মাঝেও আপনাদের জন্য একটা সুখবর!

বাংলাদেশে [আপনাদের ভাষায়] একজন “শারীরিক প্রতিবন্ধী” মানুষ কমে গেলো। স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পারে নি বলে যে কিনা আর কোনদিনও অভিযোগ করবে না। একসময় রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আঁকাবাঁকা পায়ে হাঁটার কারণে আপনাদের ব্যাঙ্গাত্নক দৃষ্টির প্রতিও তার বড্ড অভিমান ছিলো। এরপরে যখন স্বাধীনতার হাতছানি দিয়ে হুইলচেয়ারটা এলো ঘরে, আহা সে কি খুশী তার! এবার সে হুইলচেয়ারের চাকায় গড়িয়ে রোজ অন্তত একবার আকাশ দেখতে পাবে… হাহ! জেল খানার বন্দী কয়েদীর মতোনই কাটাতে হলো বাকি সময়গুলোও। আর সেই হুইলচেয়ারটা ঠাই নিলো ঘরের এক কোনায়।

 

কেনো তাকে স্কুলে যেতে দেয়া হলো না? হুইলচেয়ারটা কেনো রাস্তায় চলে না?! কেনো সে কোত্থাও যেতে পারে না?! এক পলকের জন্য হলেও কেনো সে প্রিয় আকাশটার চেহারা দেখতে পায় না?! ইত্যাদি সব প্রশ্নের পর প্রশ্নে আর কাউকেই বিরক্ত করবে না সে কোনদিনও। অজস্র সব অভিযোগের ডালি সাজিয়ে বালিশে মুখ গুজেও কাঁদবে না আর।

মাংসপেশীজনিত দূরারোগ্য কোন এক প্রতিবন্ধিতার সম্মুখীন মাত্র একুশ বছর বয়সি মেয়েটা পরিবার তথা সমাজের অবহেলায় শারীরিক-মানসিক নানান কষ্ট-অভিমান, দু’চোখ ভরা স্বপ্ন ফেলে রেখে চলে গিয়েছে না ফেরার সেই দেশে। ভালোই তো হয়েছে।

গেছে! এই দেশে অন্তত একটা আপদ তো কমেছে!!

সর্বশেষ

বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ সংকট; নানামুখী সমস্যায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

অপরাজেয় প্রতিবেদক পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সঠিক রঙের ব্যবহার, সহায়ক উপকরণ, ইন্ডিকেটর বা সঠিক দিকনির্দেশনা এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণে সহায়ক সফটওয়্যার ও অডিও বইয়ের অভাবসহ নানামুখী সমস্যার কারণে সাধারণ...

মাসিক আর্কাইভ

Translate | অনুবাদ