বাড়ি14th Issue, March 2016বৈষম্য নিরোধ ধারা ৩৬-এর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

বৈষম্য নিরোধ ধারা ৩৬-এর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

অপরাজেয় প্রতিবেদক

 

 

 

থাকবে না আর প্রতিবন্ধী জনগণের প্রতিনিধিত্বে

অ-প্রতিবন্ধী মানুষ!

আমাদের জীবন-মান নিয়ন্ত্রণে-

আমরাই উড়াব  স্বাধীনতার ফানুস ।।

 

অপরাজেয় প্রতিবেদক

প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি বৈষম্য নিরোধসংক্রান্ত আলোচিত ধারা ছত্রিশ (৩৬) আইনি স¦ীকৃতি পেল। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩৬-এর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার মাধ্যমে বৈষম্য নিরোধসংক্রান্ত জটিলতা কমবে এমন ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি বৈষম্য বিলোপ, মর্যাদা সমুন্নত রাখতে রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা ও ন্যায়বিচারের এই ধারা সুনির্দিষ্ট বিচারিক নির্দেশনা প্রদান করে বলে মনে করা হচ্ছে। অপরদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উন্নয়নকর্মী এ বিষয়ে বলেন, ৩৬ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি কার্যকর হতে অনেক সময় গড়াবে। অনেক অস¦চ্ছ বিষয় আছে, বিশেষত আইনের বৈষম্যটা সুস্পষ্ট হয়নি এই ধারায়।

 

উল্লেখ্য, আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র-সংক্রান্ত ধারা ৩১ এবং বৈষম্য নিরোধের ধারা ৩৬ স্থগিত রাখা হয়েছিল দীর্ঘদিন। গত বছরের শেষ দিকে আইনের বিধি প্রণয়নের পাশাপাশি ধারা ৩১ কার্যকর করার কথা উঠলেও ধারা ৩৬ নিয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এত দিন। গত ১২ জানুয়ারি ২০১৬ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আইন ও অধিশাখার এক প্রজ্ঞাপনে গেজেট আকারে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩-এর ধারা ৩১ ও ৩৬ কার্যকর করার নির্দেশনা প্রদান করা হয় ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে।

সর্বশেষ

বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ সংকট; নানামুখী সমস্যায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

অপরাজেয় প্রতিবেদক পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সঠিক রঙের ব্যবহার, সহায়ক উপকরণ, ইন্ডিকেটর বা সঠিক দিকনির্দেশনা এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণে সহায়ক সফটওয়্যার ও অডিও বইয়ের অভাবসহ নানামুখী সমস্যার কারণে সাধারণ...

মাসিক আর্কাইভ

Translate | অনুবাদ