হুইলচেয়ার প্রবেশগম্য বাস; একটি স্বপ্নের ইতিকথা…

41

 

– সাবরিনা সুলতানা

 

স্বপ্নের পথচলা…

আমার কতো স্বপ্ন! কতো চাহিদা! শেষ হয় না আর…

তিন তিন বার নীলগিরি পাহাড়ে মেঘের ছোঁয়া পাবার সুবর্ণ সুযোগ মিস করেছি। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ”সৈকত ভ্রমণে যাবার সুযোগও হারিয়েছি বহুবার। সবুজের রাজ্য প্রাণের সুন্দরবন দেখা হলো না আজ অব্দি। শুধু বাসে উঠতে পারি না বলে এমন হাজারো শখের জলাঞ্জলী দিতে হয়েছে আমাকে। লিখে শেষ করা যাবে না এতো এতো…..যেটা সবাই করতে পারে সেটা আমারো করতে পারার জেদ, আমার সারা জীবনের…… কিছু পারি। কিছু পারা হয়ে উঠে না আর। কত্তোবার জেদ ধরেছি কিন্তু এই ঘোরানো-প্যাচানো সিঁড়ি দিয়ে কেউ আমাকে বাসে তুলে দিতে পারে নি। বাসের ভেতরটা কেমন, আমার খুব দেখার ইচ্ছে। বাসে চড়ে যাতায়াতের ইচ্ছে। মানুষকে দেখি, যখন ইচ্ছে টিকেট কেটে উঠে যায় বাসে। আর আমি কতোশত বাঁধা ডিঙ্গিয়ে ট্রেনের টিকেট কাটি। ট্রেনের তলায় পড়ার ভয় বুকে চেপে রেখে টানা-হেঁচড়া করে ট্রেনে তোলা হয় আমাকে। তারপর থেকেই স্বপ্নটা দেখতে শুরু করেছি… কত্তোদিনকার স্বপ্ন আমাদের এই দেশে এমন একটা বাস হবে যেটায় আমার হুইলচেয়ার নিয়েই তরতরিয়ে উঠে যেতে পারবো।

আ”ছাহ!  আমার তো কেবল এই সব টুকরা-টাকরা শখ। কিন্তু চিন্তা করি, গুটি কয়েক চাকুরীজীবী বা শিক্ষার্থী যারা জীবন যুদ্ধে নামার সাহস করেছেন, তারা না জানি রোজ কতো ঝক্কি করে ঘর থেকে বেরুচ্ছেন। কেউ স্কুলে যা”েছন। কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে। কেউ অফিসে। তারা কিভাবে কী করেন! আর কতো হাজারো মানুষ হুইলচেয়ারের অভিশাপে গৃহবন্দী হয়ে আছেনতাদের কষ্টের কোন কূল কিনারা খুঁজে পাই না আমি।

 

রাষ্ট্র বা সমাজ কবে ভাববে এই মানুষগুলোর কথা!

আমি হুইলচেয়ারে আছি। আমার বন্দী জীবনের যন্ত্রণা বোঝার জন্য মানুষযেনো হুইলচেয়ার ব্যবহারে বাধ্য হয় এমন অভিশাপই কি দিতে হবে শেষ পর্যন্ত?

নাহ! অভিশাপ দিতে চাই না। হুইলচেয়ার প্রবেশগম্য অন্তত একটা যানবাহন চাই। গত দেড় বছরে অনেক কথা শুনতে হয়েছে এই চাওয়ার অপরাধে। এখনো শুনতে পাই – কী হবে র‌্যা¤পযুক্ত বাস দিয়ে?’ ‘এই অসভ্য দেশে কোন লাভ নেই এসবে‘ ‘আমরা তো বাসে ধাক্কাধাক্কি করে উঠি, তোমরা ক্যামনে পারবাব্লা..ব্লা..ব্লা…

এই সব নিয়ে মাথা ঘামানোর টাইম নাই। যারা এই সব বলে তারা কাজের কাজ কিছু করতে পারে না বলেই কথার খই ফোটায়। আহা… তাদের জন্য আমার কেবল মায়া হয়!

 

আমি জানি, এই দেশের মানুষগুলোর মনের গহীনে চাপা পড়ে আছে একটা শিশু মন। একটু টোকা দিলেই সেটি বেড়িয়ে আসবে। তবে এই টোকাটা ঘন ঘন দিতে হবে। আসলে কি, রাস্তাঘাটে যত্রতত্র হুইলচেয়ার বা ভিন্নভাবে সমদের দেখে অভ্যস্ত নয় বলেই তাদের সমতা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেন সাধারণ মানুষ। তাদের দেখতে দেখতে দুচোখ আর শুনতে শুনতে দুকান অভ্যস্ত হয়ে গেলে এই বিরূপ মনোভাবটা কেটে যাবে। ততদিন পর্যš- আমাদের এইসবে কান না দিয়ে ঘর থেকেই যুদ্ধ করে যেতে হবে। আমরা এই যুদ্ধটা করতে পারলে আমাদের পরবর্তীরা চমৎকার একটা জীবন পাবেন। ইচ্ছে হলেই হুইলচেয়ার সমেত ঘর থেকে বেড়িয়ে পড়বেন। যেখানে খুশী সেখানে যাবেন। আহা কি আনন্দময় জীবন! ভেবেই আমি আবেগী হয়ে পড়ছি। আবেগের ঠেলায় বকবক করেই যা”িছ কারণ আমি জানি এই আকাংখাটা আমার মতো আরো হাজারো হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীর…

 

মন্ত্রী সাহেবের ঘোষণাতেই আমরা গেলাম বিআরটিসির কাছে!

ঘরবন্দী অগুনতি হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী এই মানুষগুলোর উপস্থিতি জানান দিতেই ২ মার্চ ২০১২ তে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে

সিআরপির সহযোগিতায় বি-স্ক্যান আয়োজন করে এক হুইলচেয়ার র‌্যালীর। যেখানে বিপুল সংখ্যক হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী ব্যক্তিগণ উপস্থিত হয়েছিলেন তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে।

সেদিন সেখানেই মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের ঘোষণা দেন বিআরটিসি কর্তৃক র‌্যাম্পযুক্ত বাস আমদানী করার কথা। মন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে আমরা নব উদ্যোমে ঝাপিয়ে পড়ি আমাদের স্বপ্নের প্রজেক্ট বাস্তবাায়নের কাজে। তার কথার প্রেক্ষিতেই আমরা যোগাযোগ করি তৎকালীন বিআরটিসি চেয়ারম্যান মরহুম মেজর (অবঃ) এম এম ইকবাল স্যারের সাথে। চমৎকার একজন মানুষ ছিলেন তিনি। আন্তরিকভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন এবং সাধ্য মতো করেওছিলেন। বি-স্ক্যান সাধারণ সম্পাদক সালমা মাহবুবসহ অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে কয়েক দফায় তার সাথে বৈঠক হয়। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় বিআরটিসি আমদানিকৃত অশোক লেল্যান্ডের র‌্যাম্পযুক্ত বাসগুলো নিয়ে। তাদের ঐ ডিজাইনের বাসগুলো লো ফ্লোরের যা আমাদের রাস্তায় চলাচল উপযোগী নয়। ট্যাকনিক্যাল কারণে কোন রকম মডিফিকেশেনের অনুমতিও পাওয়া যায় নি।

এরপর ঘটনাগুলো দ্রুতই ঘটতে শুরু করলো। সিআরপির শরণাপন্ন হলাম আমরা কারণ তাদের নিজস্ব তৈরি র‌্যাম্প যুক্ত বাস রয়েছে যদিও সেই বাসের র‌্যাম্পটি এত লম্বা যে জনবহুল রাস্তায় ব্যবহারের উপযোগী নয়। সিস্টার ভ্যালেরি এ টেইলর অত্যন্ত আন্তরিক এসব বিষয়ে। তিনি ইমেলের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ান এক কোম্পানীর সাথে। শুরু হলো আলাপ আলোচনা। মেইল চালাচালি। সব জানার পরে তারা অশোক লেল্যান্ডের বাসের লে আউটটি চাইলেন যেটার সাহায্যে তারা নিজেরাই ভলান্টিয়ারিলি আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপটে এমন একটি ডিজাইন তৈরি করে দিতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু নানাবিধ জটিলতার কারণে এদিকে আর এগুনো সম্ভব হয় নি।

 

তাহলে কেনো আমরা ডিজাইন কন্টেস্টের আয়োজন করছি না !!

তবুও অল্পতেই হাল ছেড়ে দিতে চাই নি। বি-স্ক্যান স্বে”ছাসেবীরা  রোদ-ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বাস ডিপোগুলো ঘুরে ঘুরে বাসের বিভিন্ন এ্যাঙ্গেলের ছবিসহ তথ্য যোগাড় করে এনে দিলো। বিআরটিসির সিঙ্গেল ডেকারের বাসগুলোকেই আমরা বেছে নিলাম কাজ করার সুবিধার্থে। এরপরে বি-স্ক্যান এর বেশ কিছু শুভাকাংখীর মাধ্যমে দেশের বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর সাথে আলাপ শুরু হলো এ নিয়ে। বিআরটিসির ট্যাকনিক্যাল ডিরেক্টর কর্ণেল আব্দুল্লাহেল সাহেবও যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে সাহায্য পরামর্শ এবং ট্যাকনিক্যাল সাপোর্টের আশ্বাস দেন। কিন্তু কর্পোরেট লাইফের চাপে অতিষ্ট প্রকৌশলীদের অভিযোগ করতে পারি নি আমরা, যখন তারা সময় দিতে অপারগ হয়ে পড়েছিলেন। তবে আলাপ আলোচনা থেমে থাকে নি তাদের সাথে। আমাদের প্রয়োজন দেশীয় প্রোপটে বাস্তবধর্মী সমাধান। বাস স্টপেজে ফুটপাথ মডিফিকেশনের প্রস্তাবও এলো। কিন্তু সবচেয়ে সুবিধাজনক মনে হলো, বিআরটিসির আমদানিকৃত সিঙ্গেল ডেকারের এই বাসগুলোতেই খুব বেশী পরিবর্তন না করে এবং দ্রুততম সময়ে সহজে হুইলচেয়ার প্রবেশগম্য একটি ডিজাইন। যেহেতু প্রকৌশলী শিক্ষার্থীরা ইনোভেটিভ কাজে খুব আগ্রহী তাদের মেধাকেই কিভাবে কাজে লাগানো যায় ভাবছিলাম আমরা। এই আলোচনার ফাঁকেই ডিজাইন কন্টেস্টের আইডিয়া বেড়িয়ে এলো।

 

অতঃপর যাত্রা শুরু…

নিতান্ত কাকতালীয়ভাবেই ঐ সময়েই বি-স্ক্যান এর সাথে পরিচয় এঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস এসোসিয়েশেন অব বাংলাদেশ (এসাব) এর সাথে। এতটুকুও দেরী না করে আমাদের অনেকদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যৌথভাবে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের কার্যক্রম শুরু করে দিই। তারই ধারাবাহিকতায় পাবলিক ট্রান্সপোর্টে হুইলচেয়ার এক্সেসিবিলিটি বিষয়টিকে সামনে রেখে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ডিজাইন কন্টেস্টশুরু  হয় গত ২৪ মাচর্, ২০১৩। রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ছিলো ১৫ এপ্রিল, ২০১৩। অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করলামসারা দেশের সতেরো (১৭) টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২৯০ জনের বিরাশি (৮২) টি দল চমৎকার সব ডিজাইনের রূপকল্প জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে !! সত্যি কথা বলতে কি, দেশের রাজনৈতিক এই ডামাডোলের সময়ে বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মাঝে এতোটাই সাড়া ফেলবে এই প্রতিযোগিতাআমরা ভাবতেই পারি নি!

 

প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনায় পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করলাম আমরা। পর্যায়ক্রমে  গ্রুপ স্টেজ রাউন্ড, ফিল্ড ট্রিপ ও গ্রুমিং সেশন রাউন্ড সফলতার সাথে শেষ করে গত ১০ মে, ২০১৩ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো সেমি ফাইনাল এবং গ্র্যান্ড ফিনালে। বিজ্ঞ বিচারকদের রায়ে চ্যাম্পিয়ন দল বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েটে) থেকে আলোকের যাত্রীএবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) এর দল বিজয়রানার আপ নির্বাচিত হয়। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর চুয়েটোজিতে নেয় ইনোভেটিভ প্রাইজ।

 

এই ডিজাইন কন্টেস্টের প্রাণ; আমাদের গর্ব, প্রকৌশলের তুখোড় সব শিক্ষার্থীরা, যাদের ছাড়া কিছুতেই সম্ভব হতো না স্বপ্ন পূরণের দোরগোড়ায় পৌছে যাওয়া। এই প্রতিযোগিতার প্রতিটি ধাপে আমরা অনুভব করেছি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এটিকে শুধু প্রতিযোগিতা হিসেবেই নেন নি। তারা হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছেন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী মানুষের স্বপ্নটিকে…বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অধ্যাপকেরা তাদের নানান ঝুট ঝামেলা ফেলে রেখে দুদুটো দিনের সকাল সন্ধ্যা সবটাই আমাদের এই কন্টেস্টের পেছনে দিয়েছেন তাদের বিবেচনায় সবচেভালো ডিজাইনটি বের করে আনতে। এদের মাঝে একজন বিচারক মেজর জহিরুল ইসলাম ভাইয়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন না করলেই নয় যিনি কিনা স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি পেশেন্ট এবং টানা দশ ঘন্টা হুইলচেয়ারে বসে থাকা অকল্পনীয় ব্যাপার যার জন্য। তিনি আমাদের জন্য বলতে গেলে দুঃসাহসই দেখিয়েছেন!

আর এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে পরিমাণ কঠোর পরিশ্রম করেছে বি-স্ক্যান ও এসাব এর স্বেচ্ছাাসেবীরা আমি মুগ্ধ! আসলে তাদের ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। বিশেষত এসাব সাধারণ সম্পাদক আরিফ রায়হান মাহি! দিন রাত এক করে খেটেছে সে আমাদের জন্য! অন্যরাও কম যায় না অবশ্যি। সবচে বড় কথা হলো সকলেই মন প্রাণ দিয়ে এই কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পেরেছিলো কারণ তারা অনুভব করেছে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী মানুষের নিদারুণ যন্ত্রণার জায়গাটা।

 

যেখানে শেষ সেখান থেকেই শুরু…

সকলের আন্তরিকতা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে এইটুকুন পথ আসতে।  প্রতিযোগিতা যেখানে শেষ হলো সেখান থেকে শুর হলো আমাদের আসল কাজ। স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে হবে। সেই গত বছরের র‌্যালীর পর থেকে যোগাযোগ মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের এর সাথে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলাম। এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের কথাও তাকে জানানো হয়েছে। বাছাইকৃত ডিজাইন নিয়ে বিআরটিসির চেয়ারম্যানের সাথে আমাদের দেখা করতে বলেছেন তিনি। গ্র্যান্ড ফিনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিআরটিসি এর চেয়ারম্যান জনাব জসিম উদ্দিন আহমেদ আশ্বাস দেন, তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে আগামী বছরের মধ্যেই বিআরটিসি বাসে র‌্যাম্পযুক্ত করার। এই প্রতিযোগিতার ডিজাইন নিয়ে কাজ করারও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। এই আশ্বাসের প্রেক্ষিতেই গত ১১ জুন, ২০১৩ বাছাইকৃত মোট ৯টি ডিজাইন বি-স্ক্যান ও এসাব এর পক্ষ থেকে বিআরটিসি চেয়ারম্যান জনাব জসিম উদ্দিন আহমেদ সাহেবের হাতে তুলে দেয়া হয়। সে সময় তিনি জানান, এ দেশের তরুণ প্রকৌশলীদের মেধা এবং ব্যবহারিক জ্ঞানের মাধ্যমে যে সমাধান বেরিয়ে এসেছে তা বাস্তবায়নে খুব শিঘ্রই বাসে র‌্যা¤পযুক্তকরণ সংক্রান্ত একটি কমিটি গঠন করা হবে।

অবশেষে আমাদের গত দেড় বছরের সাধনা সফলতার মুখ দেখতে যা”েছ খুব শিগ্যিরই!  অন্তত নিজ চোখে দেখে যেতে পারবো হুইলচেয়ার প্রবেশগম্য বাস। এইটুকুন তৃপ্তির বোধ দারুণ প্রশান্তি দিচ্ছে মনে…